1. admin@chunarughat24.com : admin :
সব আসামীকে অব্যাহতি। বাবরি মসজিদ মামলার রায়
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪২ অপরাহ্ন

সব আসামীকে অব্যাহতি। বাবরি মসজিদ মামলার রায়

শেখ মাজহারুল শাকিল
  • সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৫০ বার পঠিত
সব আসামীকে অব্যাহতি। বাবরি মসজিদ মামলার রায়

শেখ মাজহারুল শাকিল।। ১৯৯২ সাল থেকে ২৮ বছর ধরে চলা এই মামলার ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেছে ভারতের বিশেষ আদালত। সেই রায়ে অভিযুক্ত সবাইকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করা হয়েছে। লখনউয়ের বিশেষ আদালতে রায় পড়েন বিচারক সুরেন্দ্রকুমার যাদব। বিচারকের যুক্তি ‘ওই কর্মকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত ছিল না’। তথ্যপ্রমাণও যথেষ্ট নয় বলে জানায় আদালত। অভিযুক্ত ৩২ জনকেই সসম্মানে মুক্তি দেওয়া হয়। ৩২ জন অভিযুক্তের মধ্যে ২৬ জনকে আদালতে উপস্থিত থাকার আদেশ দেওয়া হয়। বাকি ছয় জন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রায়ের সময় অংশ নেন। মসজিদ ভাঙার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও উস্কানির অভিযোগ ওঠে বিজেপির বলিষ্ঠ নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলিমনোহর যোশী, সাবেক মন্ত্রী কল্যাণ সিং ও উমা ভারতীর বিরুদ্ধে।

আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিবিআই বিশেষ আদালতে বিচারক সুরেন্দ্র যাদব ২০০০ পাতার রায় পড়ে শুনান। রায়ের মূল কথা, এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় নি যে অভিযুক্তরা বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করেছিলেন, অথবা ধংসে মদত যুগিয়ে ছিলেন। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে তাঁরা জনতাকে আটকাতে গিয়েছিলেন বলেও বিচারক মন্তব্য করেন।

এই রায়ে বিজেপি ও হিন্দুত্ত্ববাদী দলগুলোতে যথেষ্ট খুশীর প্রকাশ ঘটলেও মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্যরা বলেছেন, এই রায় দুর্ভাগ্যজনক। এর বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চতর আদালতে যাবেন।

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এলাহাবাদ হাইকোর্ট বাবরী মসজিদ যে স্থানে ছিল সেই ভূমি সম্পর্কিত রায় দেয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টের তিন জন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তাদের রায়ে ২.৭৭ বা ১.১২ হেক্টর ভূমি সমান তিনভাগে ভাগ করার রায় প্রদান করেন। যার এক অংশ পাবে হিন্দু মহাসভা রাম জন্মভূমিতে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য, দ্বিতীয় অংশ পাবে ইসলামিক সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড এবং বাকি তৃতীয় অংশ পাবে নির্মোহী আখরা নামে একটি হিন্দু সংগঠন। যদিও ধ্বংসপ্রাপ্ত বাবরি মসজিদ কোন মন্দির কে ধ্বংস করে তার উপরে করে উঠছে কিনা এই বিষয়ে তিনজন বিচারক একমত হতে পারেননি, তারা শুধুমাত্র একমত হতে পেরেছেন, মসজিদের নিচে মন্দির অথবা মন্দিরের মতো কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব ছিল।

ভারতের পুরাতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক করা খনন কারয্যের জরিপ আদালত দ্বারা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছিল এবং তারা মনে করেছে যে স্থাপনাটির অস্তিত্ব মসজিদ নির্মাণের পূর্বে থেকে ছিল সে স্থাপনাটি একটি বিশাল হিন্দু মন্দির ছিল।

২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত এই মামলার শুনানি করে। ৯ নভেম্বর ২০১৯ সালে ৫ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ এই নির্দেশ দেয় ২.৭৭ একরের সে জমিটি মন্দির নির্মাণের জন্য কোন ট্রাস্টকে হস্তান্তর করতে হবে। আদালত সরকারকে এটাও নির্দেশ দেয় যে, মসজিদ নির্মাণের জন্য সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড কে ৫ একরের একটি জায়গা দিতে হবে।

সুত্র। অনলাইন।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!