1. admin@chunarughat24.com : admin :
বিপ্লবের অমর কবিতা চে গুয়েভারার ৫৩তম প্রয়াণ দিবস আজ
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসরায়েলের পার্লামেন্টারি কমিটির নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় বিশ্বের সোয়া ১৪ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত মিগুয়েল দিয়াজ ক্যানেল কিউবায় নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত হলেন ফোর্বস ম্যাগাজিনে জায়গা পেলো বাংলাদেশী ৯ তরুণ ‘চিকিৎসক ও পুলিশের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি কাম্য নয়’ ধান ৮০ শতাংশ পাকলেই কাটার তাগিদ দিয়েছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন সারাদেশের অধঃস্তন আদালতে ১০৬৮১ আসামীর জামিন চিকিৎসকের শব্দ অরুচিকর, ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানালো পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন চট্টগ্রামে বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংঘর্ষে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা, তদন্ত কমিটি গঠন ‘কঠোর লকডাউন’ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

বিপ্লবের অমর কবিতা চে গুয়েভারার ৫৩তম প্রয়াণ দিবস আজ

রিমন মুক্তাদির
  • সময় : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৬৫ বার পঠিত
বিপ্লবের অমর কবিতা চে গুয়েভারার ৫৩তম প্রয়াণ দিবস আজ

রিমন মুক্তাদির।। আজ ৯ অক্টোবর, বিপ্লবের প্রতীক ও কিউবা বিপ্লবের মহানায়ক মার্ক্সবাদী চে গুয়েভারার ৫৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৬৭ সালের এই দিনে বলিভিয়ার শহর লা হিগুয়েরাতে দেশটির সেনাবাহিনী তাকে হত্যা করে। আর হত্যা করার পরই যেন জেগে উঠেন চে- বিশ্ব বিপ্লবের আরেক নাম হয়ে।

বিপ্লবের অমর কবিতা, অগ্নীপুরুষ ও গেরিলা নেতা হিসেবে বিশ্বজুড়ে আজও এই মহান বিপ্লবীর নামই ধ্বনিত হয়। বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে খ্যাতিমান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের মধ্যে অন্যতম প্রধান তিনি। সারা বিশ্বে তিনি লা চে বা কেবলমাত্র চে নামে সমাদৃত।

মৃত্যুর পর চে’র অনিন্দ্য মুখচিত্রটি একটি সর্বজনীন বিপ্লবের মুখচ্ছবি হিসেবে বিশ্বপ্রতীকে পরিণত হয়।

কিউবা বিপ্লবের পর তিনি কিউবা সরকারের মন্ত্রিসভা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সামরিক বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনসহ একাধিক ভূমিকা পালন করেছিলেন।

১৯৫৯ সালে কিউবায় ফিদেল কাস্ত্রোর সঙ্গে সফল বিপ্লবের পর আরেকটি বিপ্লবের প্রত্যয় নিয়ে বলিভিয়ায় গিয়েছিলেন চে গুয়েভারা। সেখানে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র (সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি) মদদপুষ্ট বলিভিয়ান বাহিনীর কাছে ধরা পড়েন তিনি। পরে তারা গুলি করে হত্য করে এই মহান বিপ্লবীকে। তবে চে গুয়েভারাকে হত্য করা গেলেও তার আদর্শকে হত্যা করা যায়নি। পৃথিবীর কোটি বিপ্লব প্রেমিকদের কাছে আজও তিনি শিহরণ জাগানিয়া একটি চেতনার নাম- চে।

মৃত্যুর পর থেকে আজ পর্যন্ত তিনি সমাজতন্ত্র অনুসারীদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শে পরিণত হন।

মৃত্যুর আগে তিনি বন্দী থাকা অবস্থায় হ্যান্ডক্যাফ- পরা হাত মুষ্টিবদ্ধ করে বলেছিলেন- ‘আমি জানি তোমরা আমাকে মারতে এসেছ। কাপুরুষ গুলি করো। তোমরা একজন মানুষকে হত্যা করছো মাত্র। বিপ্লবের মৃত্যু নেই।’

চে’র মৃত্যুর ৫৩ বছর পরেও টাইম পত্রিকার বিংশ শতাব্দীর সর্বাপ্রেক্ষা প্রভাবশালী ১০০ জন ব্যক্তির তালিকায় তার নাম প্রকাশিত হয়। আবার গেরিলা যোদ্ধার পোশাকে ১৯৬০ সালের ৫ মার্চ ‘গেরিলেরা হেরোইকো নামে’ আলবের্তো কোর্দার তোলা চে-র বিখ্যাত ফটোগ্রাফটিকে ‘বিশেষ সর্বাপেক্ষা প্রসিদ্ধ ফটোগ্রাফ’ হিসেবে ঘোষনা করা হয়।

চে গুয়েভারার পুরো নাম ‘এর্নেস্তো গেভারা দে লা সেরনা’। জন্ম ১৯২৮ সালের ১৪ জুন। জন্মসূত্রে চে আর্জেন্টিনার নাগরিক। পেশায় ছিলেন একজন ডাক্তার এবং ফিদেল কাস্ত্রোর দলে চিকিৎসক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। কিউবার বিপ্লবের পরবর্তীতে তিনি অনুকরণীয় এবং বিপ্লবীতে পরিণত হন।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!