1. admin@chunarughat24.com : admin :
মানবতাবিরোধী অপরাধ। জাপা নেতা সৈয়দ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

মানবতাবিরোধী অপরাধ। জাপা নেতা সৈয়দ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা

চুনারুঘাট
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১২২ বার পঠিত
জাপা নেতা সৈয়দ কায়সারের মৃত্যু পরোয়ানা
ছবি। সংগ্রহ।

চুনারুঘাট।। ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা ও সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে মৃত্যু পরোয়ানা পাঠানো হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর),  আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে ওই পরোয়ানা পাঠানো হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার সাঈদ আহমেদ।

রেজিস্ট্রার সাঈদ আহমেদ বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) বিকেলে আমরা রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি হাতে পেয়েছি। আজকে মৃত্যু পরোয়ানা পাঠিয়েছি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর এই পরোয়ানা পাঠানো হয়।’

এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারকে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের সাজা বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায়টি ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টির (জাপা) নেতা সাবেক কৃষি প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার খালাস চেয়ে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। আপিলে ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিলের পাশাপাশি তাকে বেকসুর খালাস দেয়ার আবেদনও জানানো হয়।

বিগত ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর তৎকালীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আদালত কায়সারকে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করে রায় দেন।

একাত্তরে গণহত্যা একটি, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের ১৩টি ও ধর্ষণের দুটিসহ মোট ১৬টি অভিযোগ আনা হয় এই আসামির বিরুদ্ধে। এর মধ্যে ১৪টি ট্রাইব্যুনালের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩, ৫, ৬, ৮, ১০, ১২ ও ১৬ নম্বর অভিযোগে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া ১, ৯, ১৩ ও ১৪ নম্বর অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ২ নম্বর অভিযোগে ১০ বছর, ৭ নম্বরে সাত বছর ও ১১ নম্বরে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। ৪ ও ১৫ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এ অভিযোগগুলোতে কোনো সাজা দেয়া হয়নি কায়সারকে।

পরে ২০১৫ সালের ১৯ জানিুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালাস চেয়ে আপিল করেন সৈয়দ কায়সার। আপিলে খালাসের আরজিতে ৫৬টি যুক্তি তুলে ধরা হয় এবং ৫০ পৃষ্ঠার মূল আপিলের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করা হয়।

অনলাইন।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2021 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!