1. admin@chunarughat24.com : admin :
সামাজিক যোগাযোগ অবসাদগ্রস্ততা বাড়ায়ঃ গবেষণা
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

সামাজিক যোগাযোগ অবসাদগ্রস্ততা বাড়ায়ঃ গবেষণা

চুনারুঘাট
  • সময় : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯৯ বার পঠিত

চুনারুঘাট।। তথ্য ও প্রযুক্তির এই যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেককিছু সহজ করে দিয়েছে। এর অনেক ভালো দিক যেমন আছে তেমনি এর অনেক খারাপ প্রভাবও রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো মানসিক টানাপড়েন ও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়া। সামাজিক মাধ্যম নির্ভর হওয়ার ফলে মানুষ ধীরে ধীরে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন।

সম্প্রতি ‘অ্যাসোসিয়েশন অফ স্ক্রিন টাইম অ্যান্ড ডিপ্রেশন ইন অ্যাডোলেসেন্ট’ নামের একটি সমীক্ষা থেকে এমন তথ্য জানা যায়। কী কী কারণে এমনটা হয় এবং কীভাবে এই অবসাদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব তা ব্যাখ্যা করেছেন যোগাযোগমাধ্যম বিশেষজ্ঞরা। খবর নিউজ এইট্টিন।

সমীক্ষাটিতে শরীর ও মনের যোগসূত্রের উপরে সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হয়েছে। শরীর অবসন্ন থাকলে তার প্রভাবে কাজে নানা ব্যাঘাত ঘটে। ফলে মানুষের মন অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

সমীক্ষায় বলা হয়, অনেক রাত পর্যন্ত সামাজিক মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে সময় কাটানোর ফলে ব্যবহারকারীদের ঘুম কম হচ্ছে। এতে করে কাজে নানরকম ভুল-ভ্রান্তি হচ্ছে, মন-মেজাজও ভাল থাকছে না।

সামাজিক মাধ্যমে বেশি সময় দিলে বাস্তব জগতে মেলামেশা কমে যায়। এর ফলে মানুষ একা হয়ে যায়। এতে করেও মানসিক অবসাদ তৈরি হয়।

এছাড়াও, আছে সাইবার উপহাস- অনেক সময়েই ব্যক্তিবিশেষের কোনো লেখা বা ছবি নিয়ে অন্যদের উপহাস করতে দেখা যায়। এতে মনের উপরে একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বিশেষজ্ঞারা এই সমস্যাকে চিহ্নিত করেছেন, এবং কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায় তারও উপায় বাতলে দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, নিজেকে নিজেই ঠিক করে নিতে হবে, সামাজিক মাধ্যমে দিনে কতটুকু সময় দেয়া যায়, তা নিজেকেই স্থির করে নিতে হবে। সেখানেই সারাক্ষণ পড়ে থাকলে, বা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকলে চলবে না। এজন্য বিশেষজ্ঞরা যা করতে বলেন তা হলো-

উপযোগিতা বোঝাঃ

যোগাযোগ মাধ্যমের প্রয়োজনীয়তা ও উপযোগ বুঝা, এবং কতটুকু প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা।

নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা :

এক্ষেত্রে নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখাই ভালো। তাতে করে কে কখন কী করছেন নজরে আসবে না, বার বার সামাজিক মাধ্যম ঘেঁটে দেখতেও ইচ্ছে করবে না।

বাস্তবের সঙ্গে যোগাযোগ :

নির্ভরতা কমাতে পরিবার- পরিজন ও আশেপাশের মানুষদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা। পরিবার আর কাছের বন্ধুদের সঙ্গে বেশি সময় কাটানোর সুবিধে দুই রকমের- মনটাও ভাল থাকবে আবার সামাজিক মাধ্যমে দেয়ার মতো সময়ও কমে আসবে।

সুত্র। অনলাইন।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2021 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!