1. admin@chunarughat24.com : admin :
সম্পর্কের গণিত
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসরায়েলের পার্লামেন্টারি কমিটির নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় বিশ্বের সোয়া ১৪ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত মিগুয়েল দিয়াজ ক্যানেল কিউবায় নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত হলেন ফোর্বস ম্যাগাজিনে জায়গা পেলো বাংলাদেশী ৯ তরুণ ‘চিকিৎসক ও পুলিশের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি কাম্য নয়’ ধান ৮০ শতাংশ পাকলেই কাটার তাগিদ দিয়েছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন সারাদেশের অধঃস্তন আদালতে ১০৬৮১ আসামীর জামিন চিকিৎসকের শব্দ অরুচিকর, ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানালো পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন চট্টগ্রামে বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংঘর্ষে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা, তদন্ত কমিটি গঠন ‘কঠোর লকডাউন’ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

সম্পর্কের গণিত

আরিফ জামান
  • সময় : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৪৬ বার পঠিত
সম্পর্কের গণিত

আরিফ জামান।। অধিকাংশ সময় দেখা যায় একটা সম্পর্ক গড়তে যতটা সময় লাগে তার চেয়ে ভাঙতে খুব কম সময় লাগে। মানুষের মন পরিবর্তনশীল। এমন অনেক মানুষই আছে আজ যা পছন্দ কাল তা অপছন্দ। তবে এসব কিছুর উর্ধ্বে হলো সম্পর্ক তখনই নষ্ট হয় মন যখন আর সায় দেয় না সম্পর্ক টিকিয়ে রাখবার।

সম্পর্ক টিকেয়ে রাখবার জন্য দু’জনের মধ্য বুঝাপড়াটা খুব জরুরি। হুট করে একটি সম্পর্ক নষ্ট হয় না। খুব ছোট ছোট বিষয় গুলি যখন দানা বেধে বড় হয়ে যায় তখন তা রোধ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই ছোট বিষয়গুলি হেলাফেলা না করে একটু গুরুত্ব দিন।

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও দায়িত্ব অনুভূতি, সম্পর্ক ঠিক রাখার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখা। খামখেয়ালি আর উদাসীনতা বিপরীত মানুষটাকে ভালোবাসা নয় বরং ঘৃণাবোধ তৈরি করতে সাহায্য করে। তাই আপনার বিপরীত মানুষটার প্রতি একটু সদয় দৃষ্টি দিন। তার চাওয়া পাওয়ার উপর গুরুত্ব দিন। খুব ছোট বিষয় যেমন পারস্পরিক সম্পর্ক নষ্ট করে ঠিক এই ছোট ছোট বিষয়গুলি দিয়ে সম্পর্ক মধুর হয়।

আপনার সামর্থ্য নেই খুব দামী গিফ্ট দেবার, তবে ছোট একটা উপহার দিয়ে দেখুন না আপনার সঙ্গিনী কতোটা খুশী হয়। খুব দূরে যাবার দরকার নেই সপ্তাহে কাছের কোন এক জায়গায় দুজনে ঘুরে আসুন। দেখবেন পুরো সপ্তাহটা কেমন সুন্দর যায়। কোনটা রাগ আর কোনটা অভিমান বোঝার চেষ্টা করুন। কোনটা সিরিয়াস আর কোনটা ফান মাথায় রাখুন। চোখে চোখ রেখে সম্পর্কের গভীরতা নির্নয় করুন।

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখবার অন্যতম হাতিয়ার হলো ধৈর্য বা সহনশীলতা। মানুষের নিজস্ব কিছু স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য জন্মগতভাবেই লালন করে। আপনি চাইলেই তা ঠিক করে দিতে পারেন না। সুতরাং সহনশীল আচরণ করে তাকে বুঝানোর চেষ্টা করুন। মনে রাখা উচিত এই সমস্যা দূরীভূত না হলেও পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব।

সঙ্গীনিকে ভালোবাসার কথা বলুন। হতে পারে দিনের কোনো একটি মুহূর্তে। ভালোবাসেন কিন্তু মুখে বলবেন না এটা হয় না। অবশ্যই এটা বলা উচিত। প্রকাশ থাকে যে সম্পর্কে শেয়ারিং একটা বড় বিষয়। আপনি যাই করুন না কেনো তাকে বলুন। এটা ভাববেন না যে আপনিই তো সব চিন্তা করে রেখেছেন। আসলে শেয়ার করলে সঙ্গীর গুরুত্ব বাড়ে। সে বুঝতে পারে আপনি তাাে গুরুত্ব দিচ্ছেন। আর এই গুরুত্ব দেওয়াটা সম্পর্ক মজবুত করে বলে মনে করি।

কথা বলা বন্ধ করা কোনো সমস্যার সমাধান নয়। বরং এটি দূরত্ব তৈরি করার সহায়ক। দূরত্ব বিচ্ছেদের গল্প শোনায়। বিচ্ছেদ নয় একটি সুন্দর পবিত্র ভালোবাসার সম্পর্কই হোক পৃথিবীর প্রতিটি গৃহের মজবুত দেয়াল।

এরপরেও বিনি সুতোর যে মালা একবার গাঁথা হয়েছে তা যদি বিবেকহীন মানুষটা ছিড়ে ফেলে তবে আল্লাহর উপর তায়াক্কুল করুন।মহান স্রষ্টাই একমাত্র পারে এর সমাধান দিতে।

লেখক। কর্মকর্তা, ব্যাংক এশিয়া লিঃ, নারায়ণগঞ্জ শাখা।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!