1. admin@chunarughat24.com : admin :
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ১০:৩৯ অপরাহ্ন

জাল সনদে ৬ বছর চাকরি, অতঃপর বরখাস্ত হলেন শিক্ষিকা!

চুনারুঘাট
  • সময় : শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ১১৬ বার পঠিত

চুনারুঘাট।। লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধায় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতি করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করার অভিযোগে এক শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ওই শিক্ষিকার নাম হাছনা আক্তার। তিনি ছয় বছর উপজেলার পূর্ব বিছনদই ডাঙ্গাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।

সম্প্রতি শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও এনআইডি জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশিত হওয়ায় ওই শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম নবী তাকে বরখাস্ত করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠান।

জানা যায়, ওই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সামাদ মুন্সির ছেলে আরাফাত ইসলাম তুহিনের স্ত্রী হাছনা আক্তার। বড় বোনের দাখিল পাশের সনদপত্রে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করে শিক্ষাগত যোগ্যতার ভুয়া সনদ এবং এনআইডি জালিয়াতি করে চাকরি নেন হাছনা আক্তার।

আরো জানা যায়, এরপর ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে পূর্ব বিছনদই ডাঙ্গাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। এজন্য জেলা পুলিশ (বিশেষ শাখা) ওই বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত করেন। তদন্তে হাছনা আক্তারের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও এনআইডি জালিয়াতির সত্যতা পায় পুলিশ।

পূর্ব বিছনদই ডাঙ্গাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন এ বিষয়ে একটি চিঠি পেয়েছেন বলে জানান।

বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুস সামাদ মুন্সি জানান, হাছনা আক্তার তার ছেলে আরাফাত ইসলাম তুহিনের স্ত্রী। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে সনদ ভুয়া কিনা এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, হাছনা আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

সুত্র। বাংলা অনলাইন।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!