1. admin@chunarughat24.com : admin :
'মহামারী চলে যাবে, ভ্যাকসিনের প্রয়োজন নেই'
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ১০:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবীতে মানববন্ধন থেকে আল্টিমেটাম মঙ্গলে জীবনের অস্তিত্ব আছে কী? চুনারুঘাটে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার দাবীতে খোলা চিঠি চীনের সিনোফার্মের টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্যায়ের টিকাদান শুরু সাইয়েদ ইব্রাহিম রায়িসি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট ২২ জুন থেকে খুলনায় এবং ২০ জুন থকে বগুড়ায় এক সপ্তাহের লকডাউন জীবন বিপর্যয় রোধকল্পে সামাজিক নিরাপত্তা: কল্পনা ও নির্মম বাস্তবতা এবার করোনার রহস্যময় ‘বাংলাদেশ ভ্যারিয়েন্ট’! ঢাকা ব্যাংকের ভল্ট থেকে পৌনে ৪ কোটি টাকা উধাও, ২ কর্মকর্তা গ্রেফতার গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের বিমান হামলা

‘মহামারী চলে যাবে, ভ্যাকসিনের প্রয়োজন নেই’

আশরাফুল ইসলাম
  • সময় : রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৬৯ বার পঠিত

আশরাফুল ইসলাম।। করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করছেন তার মধ্যে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজার অন্যতম। তাদের তৈরি ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছে। তবে এই মহামারী থেকে রক্ষ পেতে ভ্যাকসিনের কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বিজ্ঞানী ড. মাইকেল ইয়াডোন।

সম্প্রতি লকডাউন স্কেপটিক্স জার্নালে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এমন মন্তব্য করেছেন ড. মাইকেল ইয়াডোন।  খবর সংবাদমাধ্যম নিউজ এইট্টিন।

মাইকেল ইয়াডোন বলেন, করোনা মহামারী থেকে বাঁচার জন্য ভ্যাকসিনের কোনো প্রয়োজন নেই। আমি এই ভ্যাকসিনের মতো ননসেন্স কখনো শুনিনি। যে রোগ থেকে মানুষদের কোনো ক্ষতির সম্ভবনা নেই, তাদের ভ্যাকসিন দেয়া হতে পারে এমনটা কখনো হয় না।

তিনি আরো বলেন, কখনো লাখ লাখ সুস্থ মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়ার পরিকল্পনাও করতে পারি না। বিশেষ করে যখন পর্যন্ত না বিস্তৃত পরিসরে সেই ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হয়।

সায়েন্টিফিক অ্যাডভাইজার গ্রুপ ফর ইমার্জেন্সি’র (এসএজিই) সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে এই পরামর্শ দিয়েছেন ড. মাইকেল ইয়াডোন। এসএজিই ব্রিটেনের একটি সরকারি সংস্থা। যারা আপতকালীন সময়ে সরকারকে পরামর্শ দেয়। করোনা কালে লকডাউন কীভাবে হবে তা নিয়ে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছিল সংস্থাটি।

এছাড়াও, এসএজিই’র নেয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার মতে, গত সাত মাস ধরে নাগরিকদের অত্যন্ত মানসিক অত্যাচার করা হচ্ছে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেছেন, এসএজিই বলেছিল সকলে সংক্রমিত হবে। কিন্তু মাত্র ৭ শতাংশ মানুষ সংক্রমিত হয়েছে। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। তারা শ্বাসপ্রশ্বাস সংক্রান্ত ভাইরাসের সমস্ত ইতিহাস ভুলে গেছেন। তারা বোধহয় অসংখ্য গুণী ইমিউনোলজিস্টের সব কিছু ভুলো গেছেন। যেখানে গবেষণায় দেখা যায়- ৩০ শতাংশ মানুষের শুরু থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।

মাইকেল ইয়াডোন আরো বলেন, তারা বিশাল সংখ্যক শিশুদেরকেও বাদ রেখেছেন। যারা সংক্রমিত হচ্ছে না। সম্ভবত তাদের অপরিণত বায়োলজি, যা তাদের কোষকে স্পাইক প্রোটিনের রিসেপটর তৈরি করছে না। যাকে এসিই২ (ACE2) নামে অভিহিত করা। আমি বলছি না সব শিশুর ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য। কিন্তু অন্তত দুই তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য।

তিনি আরো বলেন, এসএজিই খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভুলে গেছেন। তারা মনে করেছেন আগে থেকে কোনো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই। যেখানে ৩০ শতাংশ মানুষের এই ক্ষমতা রয়েছে (আপনি যদি প্রায় ৪০ শতাংশ শিশুদের যোগ করেন তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নেই, কিন্তু তারা এটা রেসিসট্যান্ট)।

হার্ড ইমিউনিটি ক্ষেত্রে বলা হয়- যখন রোগ সংক্রমণ ২৮ থেকে ৩৫ শতাংশে আসবে। তখন আর এই সংক্রমণ ছড়াবে না। তখন এই ভাইরাস চলে যাবে।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2021 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!