1. admin@chunarughat24.com : admin :
শিক্ষা সনদে জালিয়াতি। চাকুরী হারালেন মাধবপুরের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান
বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইসরায়েলের পার্লামেন্টারি কমিটির নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় বিশ্বের সোয়া ১৪ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত মিগুয়েল দিয়াজ ক্যানেল কিউবায় নতুন নেতা হিসেবে নির্বাচিত হলেন ফোর্বস ম্যাগাজিনে জায়গা পেলো বাংলাদেশী ৯ তরুণ ‘চিকিৎসক ও পুলিশের পাল্টাপাল্টি বিবৃতি কাম্য নয়’ ধান ৮০ শতাংশ পাকলেই কাটার তাগিদ দিয়েছে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসন সারাদেশের অধঃস্তন আদালতে ১০৬৮১ আসামীর জামিন চিকিৎসকের শব্দ অরুচিকর, ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানালো পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন চট্টগ্রামে বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংঘর্ষে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা, তদন্ত কমিটি গঠন ‘কঠোর লকডাউন’ আরো এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত

শিক্ষা সনদে জালিয়াতি। চাকুরী হারালেন মাধবপুরের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান

তৌহিদ কালাম আজাদ
  • সময় : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
  • ৫৭ বার পঠিত

তৌহিদ কালাম আজাদ।। শিক্ষা সনদে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়ায় চাকুরী হারালেন এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএস সি) পরীক্ষার সনদ জাল প্রমাণিত হওয়ায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার হাজী মিয়া চাঁন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিশু রঞ্জন দাশকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো।

গত ১১ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় কার্যালয় সিলেট থেকে জারি করা এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আদেশে বলা হয় ‘অভিযুক্ত শিক্ষকের লিখিত জবাব, ব্যক্তিগত শুনানীতে শিক্ষকের জবানবন্দি, এতদসংশ্লিষ্ট সকল তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় নিশু রঞ্জন দাশ-এর এইচ.এস.সি-তে জিপিএ- ২.৬০ ফলাফল বিশিষ্ট সনদপত্র এবং একাডেমিক ট্রানস্ক্রিফট সন্দেহাতীতভাবে জাল প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যোগ্যতাবিহীন ‘সহকারি শিক্ষক’ হিসাবে পদ অবনমিতকরণ করে সরকারি কর্মচারি (শৃংখলা ও আপীল) বিধিমালা ২০১৮-এর ৪(৩) উপবিধি (খ) উপবিধি অনুযায়ি ‘বাধ্যতামূলক অবসর’ প্রদান করা হলো।’

জানা যায়, ২০১৭ সালের ৩০ এপ্রিল উপজেলার হরিশ্যামা সরকারি (জাতীকরণকৃত) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক নিশু রঞ্জন দাশের (পরবর্তিতে হাজী মিয়া চাঁন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক) বিরদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ এনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগপত্র দাখিল করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি স্বপেন্দ্র চন্দ্র পাল।

এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত শুরু করে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

তদন্তে সনদ জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায়, পরে বিভাগীয় উপপরিচালক অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে ও ব্যক্তিগত শুনানী গ্রহণ করে এবং তদন্তের জন্য ৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির তদন্তেও সনদ জালের বিষয়টি প্রমাণিত হয়।

২০২০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তি প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা চেয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর চিঠি লিখেন বিভাগীয় উপপরিচালক। এ চিঠির প্রেক্ষিতেই ডিজি অফিস পুনরায় ডিডিকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

এর প্রেক্ষিতে উপপরিচালক ওই শিক্ষককে ‘পদ অবনমিতকরণ’ও ‘বাধ্যতামূলক অবসর’ প্রদান করে অফিস আদেশ জারি করেন।

এ বিষয়ে উপপরিচালক মো. মোসলেম উদ্দিন বলেন, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নিশু রঞ্জন দাশ নিয়োগের সময় তার এইএসসি সনদে জিপিএ- ১.৬ কে অবৈধ উপায়ে পরিবর্তন করে জিপিএ- ২.৬ বিশিষ্ট জাল সনদ জমা দিয়েছিলেন যা পরবর্তিতে সব ধরণের তদন্তে প্রমাণিত হয়। এ কারণেই তাকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান করা হয়।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!