1. admin@chunarughat24.com : admin :
চুনারুঘাটে অবাধে বৃক্ষ নিধন চলছে, উজাড় হচ্ছে রেমা-কালেঙ্গা
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন

চুনারুঘাটে অবাধে বৃক্ষ নিধন চলছে, উজাড় হচ্ছে রেমা-কালেঙ্গা

চুনারুঘাট
  • সময় : বুধবার, ৫ মে, ২০২১
  • ১৬৪ বার পঠিত
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য এবং সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বনভুমি রেমা-কালেঙ্গা জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্রে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ বনভুমি
ছবিঃ কালেরকণ্ঠ

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য এবং সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রাকৃতিক বনভুমি রেমা-কালেঙ্গা জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্রে দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ বনভুমি।

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় অবস্থিত শুকনো চিরহরিৎ এই বনের আয়তন প্রায় ১৭৯৬ হেক্টর।

এই বনাঞ্চল থেকে প্রতিদিন নির্বিচারে উজাড় হচ্ছে মূল্যবান গাছপালা। ফলে জীব ও উদ্ভিদবৈচিত্রের পাশাপাশি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে পরিবেশ ও প্রকৃতি।

বছরের পর বছর ধরে অবৈধভাবে এ বনের গাছ কেটে পাচার করা হলেও এর প্রতিরোধ ও প্রতিকারে নেওয়া হচ্ছে না ব্যবস্থা।

বনবিভাগ মাঝে মাঝে চোরাই গাছ-কাঠ আটক করলেও চোরাকারবারিরা রয়ে যাচ্ছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে।

এরই মধ্যে গত ২৪ এপ্রিল কালেঙ্গা রেঞ্জ অফিসের এক কিলোমিটারের মধ্যে তালতলা টিলা থেকে ১১টি শতবর্ষী গাছ কেটে নিয়েছে চোরাকারবারিরা।

গাছগুলোর মধ্যে পাহাড়ি মেহগনি গাছ ছিলো ৫টি এবং ৬টি ডগি জামগাছ ছিলো।

বনবিভাগের লোকজন কাটা গাছগুলোর কিছু অংশ উদ্ধার করতে পারলেও বেশিরভাগই পাচার করে নিতে গাছ চোরেরা সফল হয়েছে।

জানা যায়, ঘটনার ১১ দিন পরেও এ বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।

কিন্তু থেমে নেই গাছ কাটা ও পাচার করা। রেমা, কালেঙ্গা ও ছনবাড়ি বিট থেকে প্রতিদিনই পাচার হচ্ছে সেগুনসহ মূল্যবান গাছ।

এ বিষয়ে কালেঙ্গা রেঞ্জ কর্মকর্তা খলিলুর রহমান বলেন, গাছ কাটা হলেও চোরেরা গাছগুলো নিতে পারেনি। কাটা গাছ জব্দ করা হয়েছে, যার পরিমাণ ১৪০ ঘনফুট।

এ ব্যাপারে বিট কর্মকর্তা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও তিনি জানান।

জানা যায়, বনবিভাগের স্থানীয় কিছু অসাধু লোক, বনবিভাগ দ্বারা লালিত ভিলেজার বা চুক্তিভিত্তিক বনপ্রহরী, স্থানীয় প্রভাবশালীরাই মূলত রেমা-কালেঙ্গা ধ্বংসের পিছনে দায়ী।

একটি চক্রের সহযোগিতায় বছরের পর বছর প্রকাশ্যেই চলছে গাছ কাটার মহোৎসব।

একসময় এই বনে ৫০০ প্রজাতির গাছ থাকলেও অব্যাহতভাবে গাছ কাটার কারণে অনেক প্রজাতির গাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

তবে গাছপাচারের ইস্যুতে বনবিভাগের বক্তব্য, ‘আমাদের লোকবল কম’।

উল্লেখ্য, গাছপাচার রোধে ১৯৯৮ সালে চুনারুঘাটে বনবিভাগের স্পেশাল টহল বাহিনী গঠন করা হয়েছিলো।

এ বাহিনী গঠনের পর উপজেলায় গাছ চোরাকারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক ছিল। অনেকটাই কমে গিয়েছিলো বৃক্ষ নিধন ও পাচার।

এ বছর জানুয়ারি থেকে টহল বাহিনী প্রত্যাহার করা হয়। ফলে বেপরোয়া হয়ে উঠে চোরাকারবারিরা, বেড়ে যায় গাছ পাচার।

স্থানীয়রা গাছ পাচার রোধে চুনারুঘাটে টহল বাহিনী পুনঃস্থাপনের দাবী জানিয়েছেন।

সুত্রঃ কালেরকণ্ঠ।

Facebook Comments
এ জাতীয় আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

স্বত্ব সংরক্ষিত © 2020-2021 চুনারুঘাট
কারিগরি Chunarughat
Don`t copy text!